ব্রেকিং নিউজ :
লাইভ নিউজ
বাংলা:
হিজরি:
English:
নিউ সাউথ বাংলা
আন্তর্জাতিক

ইরানকে পরাজিত করার পর তেলের দাম দ্রুত কমবে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক জাতীয়
আপডেট: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ দুপুর
ইরানকে পরাজিত করার পর তেলের দাম দ্রুত কমবে: ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জিতলে তেলের দাম কমে যাবে: ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র বিজয়ী হলে দেশটিতে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত কমে যাবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে পাম্পে প্রতি গ্যালন জ্বালানি তেলের দাম কমে ৩ ডলারে নেমে আসবে। পরবর্তী সময়ে তা ২ ডলারের নিচেও চলে যেতে পারে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তেলের দাম খুব দ্রুত কমে আসবে। একই সঙ্গে আবারও তিনি দাবি করেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হবে না।

বর্তমানে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পরিবহন ও উৎপাদন খাত পর্যন্ত বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাক, ট্রেন, নৌযান ও বাসসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক পরিবহনের পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কৃষি ও নির্মাণ খাতেও এর প্রভাব পড়ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন বা এএএ-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে প্রতি গ্যালন ডিজেলের গড় দাম ৫ দশমিক ৮৫ ডলারে পৌঁছেছে। অথচ এক বছর আগে একই সময়ে এই দাম ছিল ৩ দশমিক ৭১ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ডিজেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর জ্বালানির বাজারে যে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে ডিজেলের দাম সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে। ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকেই আন্তর্জাতিক ও পাইকারি বাজারে তেলের দাম বাড়তে থাকে।

এ অবস্থায় মার্কিন নাগরিকদের স্বস্তি দিতে জ্বালানির দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সংকট মোকাবিলায় ভেনেজুয়েলার সঙ্গেও বড় ধরনের তেল চুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে একটি নতুন চুক্তি হয়েছে। চুক্তির আওতায় ১৭টি কৌশলগত তেলক্ষেত্রের উন্নয়ন করা হবে। এসব এলাকায় প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রকল্পটিতে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

তেলের বাজারে এই উদ্যোগগুলো কতটা প্রভাব ফেলবে এবং শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম ৩ ডলার বা তার নিচে নামবে কি না—তা এখন দেখার বিষয়।

নিউ সাউথ বাংলা-এর সঙ্গে থাকুন। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।