ব্রেকিং নিউজ :
লাইভ নিউজ
বাংলা:
হিজরি:
English:
নিউ সাউথ বাংলা
রাজনীতি

কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাসহ ১৩ জনকে হত্যার হুমকি

অনলাইন ডেস্ক জাতীয়
আপডেট: ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৩ সকাল
কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাসহ ১৩ জনকে হত্যার হুমকি

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাসহ ১৩ জনকে হত্যার হুমকি: এলাকা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য!

হবিগঞ্জের মাধবপুরে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলমসহ মোট ১৩ জনকে ডাকযোগে কাফনের কাপড় ও চিঠি পাঠিয়ে প্রকাশ্য হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে চরম আতঙ্কের পাশাপাশি তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, মীর খোরশেদ আলম স্থানীয় সংসদ সদস্যের উন্নয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

ঘটনার নেপথ্যে কী ঘটেছিল?

জানা গেছে, গত বুধবার (২৯ জুলাই) মাধবপুর ডাকঘরের মাধ্যমে একটি রেজিস্ট্রি করা পার্সেল আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে পৌঁছায়। পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলম পার্সেলটি খুললে এর ভেতরে পৃথক পৃথক নামে ১৩টি খাম দেখতে পান। প্রতিটি খামের ভেতরেই পাওয়া যায় কম্পিউটারে টাইপ করা প্রাণনাশের হুমকিমূলক চিঠি এবং এক টুকরো করে কাফনের কাপড়।

চিঠিতে যা লেখা ছিল:

হুমকিমূলক চিঠিতে চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলমকে উদ্দেশ্য করে অত্যন্ত অশালীন ভাষায় লেখা হয়— চিঠি পাওয়ার পর তার হাতে আর মাত্র কয়েকাটা দিন সময় আছে এবং আগুন নিয়ে খেলার পরিণাম তাকে ভোগ করতেই হবে।

চেয়ারম্যান ছাড়া চিঠিতে আর যাদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন:

আনোয়ার হোসেন

মাহমুদ হোসেন

মিসির আলী

আব্দুল গফুর

কন্ট্রাক্টর মিজান

বজলু

সৈয়দ শিব্বির আহমদ

সৈয়দ আনাস

সৈয়দ তালহা

সৈয়দ তানজির

সৈয়দ নোমান

এছাড়াও, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চিঠিতে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাদের মধ্য থেকেই যেকোনো একজনকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার হুমকি দেওয়া হয়। নির্বাচনী তপশিল ঘোষণার পর এলাকা জুড়ে হত্যা, মিথ্যা মামলা, চুরি ও ডাকাতিসহ নানা অপকর্ম ঘটানোর হুমকিও দেওয়া হয়েছে। চিঠির শেষে প্রেরক হিসেবে ‘সচেতন যুব সমাজ’ নামটি ব্যবহার করা হয় এবং বিশেষ দ্রষ্টব্য (বি: দ্র:) হিসেবে লেখা হয়:

"চিঠির সঙ্গে অগ্রিম কাফনের কাপড়ের নমুনা পাঠালাম, বাকিটা কিনে রাখিস।"

আইনি পদক্ষেপ ও বর্তমান পরিস্থিতি

নকশাকৃত এই ভয়ভীতি প্রদর্শনের পর ইউপি চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছেন। বিষয়টি ইতোমধ্যে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারকেও আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে হুমকিদাতাকে আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে সরাসরি যোগাযোগের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।

📌 সবশেষ বস্তুনিষ্ঠ খবর এবং এলাকার যেকোনো ঘটনার তাত্ক্ষণিক আপডেট পেতে ‘নিউ সাউথ বাংলা’ (New South Bangla)-এর সাথেই থাকুন।