ব্রেকিং নিউজ :
লাইভ নিউজ
বাংলা:
হিজরি:
English:
নিউ সাউথ বাংলা
জাতীয়

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক জাতীয়
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৮ সকাল
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন নেতানিয়াহু

🤝 ট্রাম্পের সাথে বিরোধের গুঞ্জন ওড়ালেন নেতানিয়াহু: ইরান ইস্যুতে বড় বার্তা!

ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো ধরনের মতবিরোধের খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, দুই নেতাই মূলত একই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছেন এবং ইরানকে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না।

বিশ্বরাজনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ খবরের বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং নিত্যনতুন সব আপডেট পেতে "নিউ সাউথ বাংলা"র সাথেই থাকুন।

🇺🇸 ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন নেতানিয়াহু

সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেন, ট্রাম্প এবং তার মধ্যে কোনো ধরনের ফাটল বা দূরত্ব নেই। সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন:

"ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার জন্য যা ভালো, সেটাই করেন। আর আমি ইসরায়েলের নেতা হিসেবে আমার দেশের স্বার্থে কাজ করি। আমাদের মধ্যকার অবস্থানের ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই মিল রয়েছে। তবে যেকোনো পরিবার বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের মতো আমাদের মধ্যেও কখনো কখনো সামান্য মতপার্থক্য হয়। আমরা সেগুলো খোলামেলাভাবে আলোচনা করি এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একটি চমৎকার সমাধানে পৌঁছাই।"

আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একটি হাই-ভোল্টেজ বৈঠকে বসতে পারেন উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র বা তা তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখাই তাদের উভয়ের প্রধান ও অভিন্ন লক্ষ্য।

🤫 ইরানের সাথে সমঝোতা নিয়ে রহস্য!

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান সমঝোতা স্মারক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বেশ কৌশলী অবস্থান নেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আলোচনার চূড়ান্ত ফলাফল আসার আগে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তার মতে, এখনই সবকিছুর মূল্যায়ন করার সময় আসেনি। তবে দিনশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হতে না পারে।

🔥 তেহরানের স্লোগান ও ট্রাম্পের প্রশংসা

তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা প্রসঙ্গ টেনে নেতানিয়াহু একটি চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তিনি বলেন, ওই জানাজায় ‘আমেরিকার মৃত্যু’ এবং ‘ট্রাম্পকে হত্যা করো’—এরকম উগ্র স্লোগান দেওয়া হয়েছে।

এর বিপরীতে ইসরায়েলের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ইসরায়েলে কখনো এই ধরনের উগ্রতা শোনা যাবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ মিত্র হলো ইসরায়েল। আর ডোনাল্ড ট্রাম্প হলেন হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় এবং অকৃত্রিম বন্ধু।

💬 আপনার কী মনে হয়? ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর এই ঘনিষ্ঠতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে? আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের কমেন্ট বক্সে শেয়ার করুন।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির এমন সব গরম খবর সবার আগে পেতে লাইক, শেয়ার এবং সাবস্ক্রাইব করে নিউ সাউথ বাংলা-র সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।